বনের হরিন নয়, বাঘ নয়, এতো রাতে চৌকিদার চলে। হোই কে যায়? কে যায়? গঞ্জের বাতাস ফেরে হিম, নিরুত্তর। কে যায়? কে যাবে আর! দশমির অন্ধকার একা একা যায়, একা একা চৌকিদার আঁধারের বাঁকে বাঁকে নিজেকে তাড়ায়। নিজেকেই প্রশ্ন করে কে যায়...
Post Page
মানুষের মানচিত্র ৬
কুটুম এসেছে ঘরে, সাঁচিপান সাজো বউ রুপোর বাটায়। চিরে মুড়ি আছে কিছু? নয়তো বাতাসা দাও সাথে নারকেল। একেবারে খালি মুখ, আর কি সেদিন আছে, আহারে আকাল! শ্রাবনের বানের নাহান ভেসে গেছে সব-হায়রে সুদিন। কি সুখে ছিলাম বউ! ভাত মাছ...
মানুষের মানচিত্র ৪
ভাসান যে দিতে চাও, কোন দেশে যাবা? যাবা সে কোন বন্দরে আমারে একেলা থুয়ে? এই ঘর যৈবনের কে দেবে পাহারা? এমন কদম ফুল- ফোটা-ফুল থুয়ে কেউ পরবাসে যায়! তুমি কেন যেতে চাও বুঝি সব, তবু এই পরান মানে না। লোকে কয় ভিন দেশে মেয়ে...
মানুষের মানচিত্র ২২
তারপর সেই গল্প। সেই চেনা গল্প, চেনা কথা জীবনের- মনে করো সেই মুখ খুঁজতে খুঁজতে আর কোথাও পাচ্ছো না, সেই যে নদীর পাড়,দুটো লাশ পড়েছিল পাশাপাশি, পচা, একজন তোমার গাঁয়ের ছেলে, অন্যজন সহোদর,ভাই… অনেক খুঁজেও তুমি সেই...
মানুষের মানচিত্র ২
পাখির নাহান ডাকো। মাঝরাতে ডাক দাও পাখির গলায় । আমি কি বুঝি না ভাবো? কাতলা মাছের মতো ঘাই মারে বুকে, ওই ডাক ঘাই মারে রক্তে-মাংশে। ভাবো ঘরে আছি সুখে। আহারে পোড়ার সুখ- তুফানের গাঙ দেখে মাঝি সে পালায়। বুড়ো ভাতারের ঘর কোন...
মানুষের মানচিত্র ১৫
এতোকাল ধ’রে শুধু আকাশ মেঘলা হয় নামে না বাদল, নাড়ি-ছেঁড়া ব্যথা ওঠে, কাতরায় খালি ঘরে চুড়ান্ত পোয়াতি। পশ্চিমের মেঘ দেখে হাটবারে দোকানিরা গুটায় বেসাতি, বরষা আসে না-শুধু মেঘ জ’মে ওঠে, বাজে মেঘের মাদল। সময় গড়ায় আর ভাঙা ঘরে...
মানুষের মানচিত্র ১৩
কলার ভেলায় লাশ, সাথে ভেসে চলে এক স্বপ্নবান বধু। হাঙর কুমির আসে, আছে ঝড়, অন্ধকার দরিয়ার বান, লাশের শরীর থেকে মাংশ খসে, বেহুলার অসীম পরান, কিছুতে টলে না স্বপ্ন, আকাংখার শক্ত হাত মেলে রাখে বঁধু … ওলো ও বেদেনি শোন, ছোবল...
মানুষের মানচিত্র ১২
ভরা বসন্তের দিনে এ-মধুর চাক তুমি ভেঙো না মৌয়াল, মধুপোকা আসবে না, ভাঙা চাকে আসবে না রাঙা মউমাছি। দারুন যক্ষের ধন আমি শুধু এইটুকু স্বপ্ন নিয়ে আছি। ভেঙো না মধুর চাক, বিষ-পিঁপড়েয় তবে ছেয়ে যাবে ডাল- রাতের শিয়াল আসে, ঝাঁক...
মানুষের মানচিত্র ১
আহারে বৃষ্টির রাত, সোহাগি লো, আমি থাকি দূর পরবাসে। কান্দে না তোমার বুকে একঝাঁক বুনো পাখি অবুঝ কৈতর? কেমনে ফুরায় নিশি? বলো সই, কেমনে বা কাটাও প্রহর? পরাণ ছাপায়ে নামে বাউরি বাতাস দারুন বৃষ্টির মাসে। যে বলে সে বলে কথা...
মাংশভুক পাখি
ফুলের পোশাকে ঢাকা শরীর, দারুন মাংশভুক পাখি, ওই শকুন, ওই হিংস্র গোপন নোখ জু্ড়ে থাকা শত্রু-স্বভাব, আমাদের দিন থেকে খেয়ে যাবে প্রিয়তম রোদের মাংশ। ওই নষ্ট চোখ ওই চতুর ঘাতক ওই ফুলাবৃত শকুন খেয়ে যাবে, খেয়ে যায় মানুষের শুভ্র...
মনে পড়ে সুদূরের মাস্তুল
পেছনে তাকালে কেন মূক হয়ে আসে ভাষা! মনে পড়ে সেই সব দুপুরের জলাভূমি, সেই সব বেতফল, বকুল কুড়ানো ভোর, আহা সেই রাঙাদি-র আঁচল তলের উত্তাপ, মনে পড়ে… মনে পড়ে, বন্দরে সেই সব কালোরাত, ঈগলের মতো ডানা সেই বিশাল গভীর...
বিশ্বাসে বিষের বকুল
যদি সব নদী ফিরে আসে নীড়ে, জন্মের নিকটে, তবু শরীরে ঘামের গন্ধ আমি তো ফিরিনি আজো লাঙলের ফলায় মেখে ক্লান্ত-বিশ্রাম, চুলে নখে অসভ্যতা, আমিতো ফিরিনি গৃহে বনবাস বিরাগী বাউল। নদীও নদীর ভেতরে মেলে আছে অনন্ত ঋনী,, প্রাপ্যের কাছে...
বাতাসে লাশের গন্ধ
আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যূর নগ্ননৃত্য দেখি, ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে- এ-দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়? বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে, মাটিতে লেগে আছে...
ফসলের কাফন
ভরা ফসলের মাঠে যদি মৃত্যু হয় ভরা জোয়ারের জলে যদি মৃত্যু হয়, আমার স্বপ্নের দায়ভার আমি তবে তোমাকেই দেবো। মুছবো না দেহ থেকে মাছের ঘ্রানের মতো ভেজা ঘাম, বসন্ত আসার আগে এই মৃত্যু, তবু তাকে বলবো না অসময় যদি দেখি আমাদের অমিত...
পাঁজরে পুষ্পের ঘ্রান
তোমাকে বলবো বোলে তারকাটা, পাথুরে জলের হিম, মৃত্যু. রক্ত লাশ. এই ধংশের শ্মশান ডিঙিয়ে এলাম, তোমকে বলবো বোলে। পাঁজরে পুষ্পের ঘ্রান জ্ব’লে আছে ক্ষুধার মতোন, ক্ষুধা তো বেঁচে থাকার অন্য নাম। তোমার আমার এই দূরত্বের মাঝে...
পশ্চাতে হলুদ বাড়ি পঞ্চাশ লালবাগ
এটা প্রস্থান নয়, বিচ্ছেদ নয়– শুধু এক শব্দহীন সবল অস্বীকার পরিকল্পিত প্রত্যাখ্যান, এ-কোন অভিমান নয়– ব্যার্থতা নয়। বিরহে কাতর হবে, কাতরতা বাড়াবে স্বাধীন স্বদেশ, জানতাম আমার শূন্য চেয়ারে হাত রেখে তাকাবে রেখে যাওয়া...
নিশব্দ থামাও
থামাও, থামাও এই মর্মঘাতী করুন বিনাশ, এই ঘোর অপচয় রোধ করো হত্যার প্লাবন। লোকালয়ে ভোর আসে তবু সব পাখিরা নিখোঁজ- শস্যের প্রান্তর খুলে ডাকি আয়, আয় প্রিয় পাখি, একবার ডেকে ওঠ মুখরতা, মৃত্যুর সকালে বাজুক উজ্জ্বল গান- জনপদ...
নিবেদিত বকুল-বেদনা
একখানা বকুল মালা রেখে গেছি শুধু আমার না-থাকায় আর কিছু না। শুধু এক মৌন ফুলের মোম যেন নিশব্দ আলোর গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে আছে, যেন আলোকিত হয়ে আছে নিজে। আমার অস্তিত্বকে প্রমানিত কোরে গর্বিত বুক ঝুলে আছে মৃত বাসি বকুলের হার...
দ্বিধাগ্রস্ত দাঁড়িয়ে আছি
সেই যে আমি দাঁড়িয়েছিলাম, মনে পড়ছে? সেই যে আমি উসস্কো-খুস্কো আউল বাউল একমাথা চুল, সেই যে আমি রক্তচুক্ষ, দুই চোখে দুই রক্তজবা মনে পড়ছে? সেই যে আমি দাঁড়িয়েছিলাম, তোমার স্মৃতিবন্ধের উপর দাঁড়িয়েছিলাম, মনে পড়ছে? সকাল, তোমার...
তুমি বরং কুকুর পোষো
তুমি বরং কুকুর পোষো, প্রভুভক্ত খুনসুটিতে কাটবে তোমার নিবিড় সময়, তোর জন্য বিড়ালই ঠিক, বরং তুমি বিড়ালই পোষো খাঁটি জিনিস চিনতে তোমার ভুল হয়ে যায় খুঁজে এবার পেয়েছ ঠিক দিক ঠিকানা লক্ষী সোনা, এখন তুমি বিড়াল এবং কুকুর...
টুকরো স্মুতি
থাকুক তোমার একটু স্মৃতি থাকুক,
একলা থাকার খুব দুপুরে
একটি ঘুঘু ডাকুক।
ছিনতাই
হল্ট… অন্ধকার থমকে দাঁড়ালো। হাত উঁচু কোরে দাঁড়া, কী কী আছে কাছে? পকেট হাতড়ে দ্যাখ, ভালো কোরে হাতড়া কোমর, শুয়োরের বাচ্চা, শালা বানচোত মাল রোজ রোজ এই পথে আসা কেন? এতো কি পিরিত? ক’ষে লাগা, দুই ঘা লাগিয়ে দিলে...
গোপন ইঁদুর
এক ইঁদুর আসে রাতে আমার ঘরে, চিকোন দাঁতে কাটে দেয়াল মেঝে কাটে সকল প্রয়োজনীয় জিনিশপাতি কাটে, এক ইঁদুর আসে ঘরে। তার ছয়টি দাঁতে কাটে মাথার স্নায়ু, বুকে আমার নোখের কটু ঘায়ে ছেঁড়ে রুপোল স্বপ্ন, শুভ স্মৃতির বসবাস তার বিষের...
ক্লান্ত ইতিহাস
যে-পথে ফিরেছে সব, সেই পথে আমার হবে না ফেরা, ভাঙনের রুগ্ন গান শুনতে শুনতে, বৃষ্টিতে আমুন্ডু ভিজে বেহুলার ভাঙা ভেলা ফিরে যাবে জন্মের বিশ্বাসে! সাথে আমি কী কী নেবো? বিলাসী নগর থেকে তীক্ষ্ণ রমনীর প্রেম মদ, মাংশ, কৃত্রিম...
কার্পাশ মেঘের ছায়া
শিমুল শাখারা তবু এতো লাল হয়ে উঠে আজো, আজো এতো রক্তময় হৃদয়ের মতো শুষ্ক বাতাসে ছড়ায় লোহিত সুঘ্রান। সেই শৈশবে উড়ন্ত কার্পাশ মেঘের দিকে ছুটতে ছুটতে একদিন নদীর কিনারে এসে মন্ত্রমুগ্ধ জলের দিকে নির্বাক চেয়ে থাকা চোখ সেই...
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প
তাঁর চোখ বাঁধা হলো। বুটের প্রথম লাথি রক্তাক্ত করলো তার মুখ। থ্যাতলানো ঠোঁটজোড়া লালা-রক্তে একাকার হলো, জিভ নাড়তেই দুটো ভাঙা দাঁত ঝরে পড়লো কংক্রিটে। মা…মাগো… চেঁচিয়ে উঠলো সে। পাঁচশো পঞ্চান্ন মার্কা আধ...
কথা ছিলো সুবিনয়
কথা ছিলো, রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাঁশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো, বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বোসবে না, চিত্রল তরুন হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য...
কথা ছিলো সুবিনয়
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বোসবে না, চিত্রর তরুন হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার...
কটাক্ষ
দিচ্ছো ভীষোন যন্ত্রনা,
বুঝতে কেন পারছো না ছাই
মানুষ আমি, যন্ত্র না।
১৯ শ্রাবন ১৩৯৭
রাজাবাজার, ঢাকা।
এক গ্লাস অন্ধকার
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। শুন্যতার দিকে চোখ, শুন্যতা চোখের ভেতরও– এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে একা বসে আছি। বিলুপ্ত বনস্পতির ছায়া, বিলুপ্ত হরিন। মৌশুমি পাখির ঝাঁক পালকের অন্তরালে। তুষারের গহন সৌরভ ব’য়ে আর...
এ কেমন ভ্রান্তি আমার
এ কেমন ভ্রান্তি আমার! এলে মনে হয় দূরে স’রে আছো, বহুদূরে, দূরত্বের পরিধি ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে আকাশ। এলে মনে হয় অন্যরকম জল হাওয়া, প্রকৃতি, অন্য ভূগোল, বিষুব রেখারা সব অন্য অর্থবহ- তুমি এলে মনে হয় আকাশে জলের ঘ্রান। হাত...
ইশতেহার
পৃথিবীতে মানুষ তখনো ব্যক্তিস্বার্থে ভাগ হয়ে যায়নি। ভূমির কোনো মালিকানা হয়নি তখনো। তখনো মানুষ শুধু পৃথিবীর সন্তান। অরন্য আর মরুভূমির সমুদ্র আর পাহাড়ের ভাষা তখন আমরা জানি। আমরা ভূমিকে কর্ষন কোরে শস্য জন্মাতে শিখেছি।...
ইচ্ছের দরোজায়
সব কথা হয়ে গেলে শেষ শব্দের প্লাবনে একা জেগে রবো নির্জন ঢেউ, ভেসে ভেসে জড়াবো নিজেকে। শরীরের সকল নগ্নতায় আমি খেলা কোরে যাবো, তীর ভেবে ভেঙে পড়বো আমার যৌবনে। কথা কি শেষ হয়ে যায়- সব কথা? নাকি বুকের ভেতরে সব অসমাপ্ত...
আমি সেই অভিমান
আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ, নিরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ, আমাকে গ্রহন করো। উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান, আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেয়া ঘােলাটে চাঁদ। আমাকে আর কি বেদনা দেখাবে? তপ্ত সীসার মতাে...
আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে (গীতি কবিতা)
আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। আমার … … …। ঢেকে রাখে যেমন কুসুম, পাপড়ির আবডালে ফসলের ঘুম। তেম্নি তোমার নিবিড় চলা (২) মরমের মূল পথ ধরে। আমার … … …। পুষে রাখে...
অভিমানের খেয়া
এতোদিন কিছু একা থেকে শুধু খেলেছি একাই, পরাজিত প্রেম তনুর তিমিরে হেনেছে আঘাত পারিজাতহীন কঠিন পাথরে। প্রাপ্য পাইনি করাল দুপুরে, নির্মম ক্লেদে মাথা রেখে রাত কেটেছে প্রহর বেলা- এই খেলা আর কতোকাল আর কতোটা জীবন! কিছুটাতো চাই...
Sanaullar Mohabipod | সানাউল্লার মহাবিপদ – হুমায়ূন আহমেদ
Sanaullar Mohabipod | সানাউল্লার মহাবিপদ বাংলা বই (Bangla boi) হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর লেখা একটি অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সানাউল্লার মহাবিপদ বইটির PDF আপনি এখন খুব সহজেই পড়তে ও ডাউনলোড...
Night Game | নাইট গেম – আনিছুর রহমান
Night Game | নাইট গেম বাংলা বই (Bangla boi) আনিছুর রহমান (Anisur Rahman) এর লেখা একটি অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত নাইট গেম বইটির PDF আপনি এখন খুব সহজেই পড়তে ও ডাউনলোড (Read Online or Download)...
Dosh Jon | দশজন – হুমায়ূন আহমেদ
Dosh Jon | দশজন বাংলা বই (Bangla boi) হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর লেখা একটি অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত দশজন বইটির PDF আপনি এখন খুব সহজেই পড়তে ও ডাউনলোড (Read Online or Download) করতে পারবেন...

